India Crude Oil Stock: ইরান যুদ্ধের জেরে ১৫% কমল ভারতের তেলের মজুত, ১৮ দিনের হিসাব ঘিরে উদ্বেগ
ভারতের তেলের মজুত ১৫% কমল
তেলের মজুত ঘিরে নতুন উদ্বেগ
পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার জেরে ভারতের অপরিশোধিত তেলের মজুত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কমোডিটি অ্যানালিটিক্স সংস্থা Kpler-এর তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে ভারতের crude oil stock প্রায় ১৫ শতাংশ কমেছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যেখানে মজুত ছিল প্রায় ১০৭ মিলিয়ন ব্যারেল, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯১ মিলিয়ন ব্যারেলে।
কেন কমছে মজুত?
রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে ভারতের crude import ছিল দৈনিক প্রায় ৫ মিলিয়ন ব্যারেল। সংঘাতের পর তা কমে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় refinery-গুলি স্বাভাবিক গতিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় আমদানির ঘাটতি মেটাতে জমিয়ে রাখা crude oil ব্যবহার করতে হচ্ছে। এর ফলেই stockpile কমছে বলে Kpler-এর বিশ্লেষণ।
১৮ দিনের মজুত—কীভাবে হিসাব?
বর্তমানে ৯১ মিলিয়ন ব্যারেল crude stock এবং দৈনিক প্রায় ৫ মিলিয়ন ব্যারেল ব্যবহারের হিসাব ধরলে তা প্রায় ১৮ দিনের supply-র সমান। তবে এই হিসাবকে সরাসরি “দেশে মাত্র ১৮ দিনের তেল আছে” বলা ঠিক নয়। কারণ সরকারি হিসেবে pipeline, tanker-এ থাকা তেল, strategic reserve এবং rolling stock—সব মিলিয়ে বৃহত্তর supply cover ধরা হয়। কেন্দ্রীয় তথ্য অনুযায়ী, দেশে crude oil-এর ক্ষেত্রে প্রায় ৬০ দিনের rolling stock রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালী ঘিরে চাপ
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ oil chokepoint। এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ crude oil ও petroleum shipment চলাচল করে। সংঘাতের কারণে এই রুটে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় ভারত-সহ বহু আমদানিনির্ভর দেশের ওপর চাপ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হলে আগামী দিনে crude sourcing ও fuel price—দুই ক্ষেত্রেই চাপ থাকতে পারে।
সরকারের দাবি বনাম বাজারের হিসাব
সরকারের দাবি, দেশে petroleum product-এর ঘাটতি নেই এবং প্রয়োজনীয় supply cushion রয়েছে। কিন্তু বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, refinery stock কমতে থাকলে ভবিষ্যতে import route, global price এবং refinery run rate নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। তাই Kpler-এর ১৮ দিনের stock calculation এবং সরকারের ৬০ দিনের rolling stock—দুই তথ্যই আলাদা প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে।
জ্বালানির দামে প্রভাব
এই পরিস্থিতির মধ্যেই পেট্রল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ₹৩ বাড়ানো হয়েছে। Reuters-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে global crude price বেড়ে যাওয়ায় oil retailers-এর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে fuel price hike সাধারণ মানুষের পকেটে সরাসরি প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।
সামনে কী হতে পারে?
যদি আমদানি স্বাভাবিক না হয় এবং global supply pressure বজায় থাকে, তাহলে জ্বালানি সাশ্রয়, alternative sourcing, refinery operation adjustment এবং fuel price নিয়ে আরও সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। আপাতত সরকারের বার্তা—জ্বালানি সাশ্রয় করুন, অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমান এবং supply নিয়ে আতঙ্ক ছড়াবেন না।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন