খুনের নেপথ্যে কি গোপন নথি? চন্দ্রনাথ খুনে জোর জল্পনা
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
তদন্তকারীদের দাবি, এটি ছিল একটি ‘টার্গেট কিলিং’। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ চন্দ্রনাথ যখন তাঁর ফ্ল্যাটে ফিরছিলেন, তখন একটি চার চাকা গাড়ি আড়াআড়িভাবে তাঁর রাস্তা আটকে দেয়। সঙ্গে সঙ্গেই দু’টি বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা ঘিরে ফেলে চন্দ্রনাথের গাড়ি। ১০ রাউন্ডেরও বেশি গুলি চালানো হয়, যার মধ্যে তিনটি চন্দ্রনাথের শরীরে লাগে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
তদন্তে সিট (SIT):
এই খুনের গুরুত্ব বুঝে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই সিআইডি আইজি-র নেতৃত্বে সিআইডি, আইবি ও বেঙ্গল এসটিএফ-এর আধিকারিকদের নিয়ে একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) গঠন করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং স্থানীয় তিন দুষ্কৃতীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।
নথি লোপাটের অভিযোগ:
পরিবার ও ঘনিষ্ঠ মহলের অভিযোগ, এই খুনের নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। চন্দ্রনাথের কাছে পূর্বতন সরকারের একাধিক দুর্নীতির গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সেই তথ্য যাতে নতুন সরকারের আমলে ফাঁস না হয়ে যায়, সেই প্রমাণ লোপাট করতেই কি এই হত্যা? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনাকে ‘মহা-জঙ্গলরাজ’ ও ‘ঠান্ডা মাথার খুন’ বলে অভিহিত করেছেন। এখন দেখার, ৯ মে শপথগ্রহণের আগেই খুনিদের মূল চক্রীকে পুলিশ জালে তুলতে পারে কি না।
.png)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন