কীভাবে চলত এই মারণ-চক্র? অভিযোগ, মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া খাবার ও প্যাকেটজাত সামগ্রীতে নতুন স্টিকার লাগিয়ে অত্যন্ত সুকৌশলে ফের তা বাজারে ছাড়া হচ্ছিল। পুরনো প্যাকেট বদলে নতুন মোড়কে বিক্রির এই রমরমা কারবার চলছিল দিনের পর দিন। এমনকী, অত্যাধুনিক মেশিন ব্যবহার করে কিছু পণ্যের উৎপাদনের তারিখ ও এক্সপায়ারি ডেট (Expiry Date) পুরোপুরি বদলে ফেলার মতো সাঙ্ঘাতিক অভিযোগও উঠেছে।
যৌথ অভিযানে উদ্ধার বিপুল সামগ্রী: খবর পেয়ে ওই নির্দিষ্ট এলাকায় হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর ও স্থানীয় থানার পুলিশ। তল্লাশিতে মেলে বিপুল পরিমাণ প্যাকেটজাত খাবার, সন্দেহজনক রিপ্যাকিং সামগ্রী, প্রিন্টিং ও স্টিকার লাগানোর সরঞ্জাম এবং বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য।
স্ক্যানারে গোটা চক্র, বাড়ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি: ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতর ও পুলিশের নজরে এখন বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়— কতদিন ধরে এই মারণ কারবার চলছিল? কোন কোন এলাকার দোকানে এই ভেজাল পণ্য সরবরাহ করা হত? এর নেপথ্যে বড় কোনো প্রভাবশালী চক্র জড়িত কি না? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কড়া সতর্কবার্তা, এই ধরণের মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খেলে চরম খাদ্যবিষক্রিয়া (Food Poisoning), পেটের সমস্যা ও গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার ঝুঁকি থাকে। এই চক্রের শিকড় উপড়ে ফেলতে এখন কড়া আইনি পদক্ষেপের পথেই হাঁটছে প্রশাসন।