Coal Mine Scam: অবৈধ কয়লা খাদান রুখতে অ্যাকশন মোডে রাজ্য, জেলাশাসকদের রিপোর্ট তলব মুখ্যসচিবের
অবৈধ কয়লা খাদান রুখতে অ্যাকশন মোডে রাজ্য
অবৈধ কয়লা খাদান বন্ধে এবার কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য সরকার। রাজ্যজুড়ে কোথায় কত বৈধ কয়লা খাদান রয়েছে, তা জানতে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসকদের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগারওয়াল। দ্রুত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরেই পদক্ষেপ
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পরই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কথা স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বার্তা, দুর্নীতির ক্ষেত্রে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। এক মাসের মধ্যে জেলা প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে, নইলে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
জেলা শাসকদের কাছে কী তথ্য চাওয়া হয়েছে?
রাজ্যের কোন জেলায় কতগুলি বৈধ কয়লা খাদান রয়েছে, সেগুলি অনুমোদিত কি না, কারা পরিচালনা করছে এবং তাদের লাইসেন্স বা অনুমতির মেয়াদ কতদিন—এই সমস্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ খাদান চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বালি ও কয়লা খাদানে কড়া নজর
শুধু কয়লা নয়, অবৈধ বালি খাদান নিয়েও কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই অবৈধ বালি খাদান এবং কয়লা খাদান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিশেষ করে বীরভূমের জেলাশাসককে অবৈধ বালি খাদান বন্ধের বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
প্রশাসনিক মহলের মতে, অবৈধ কয়লা খাদান শুধু রাজস্ব ক্ষতির কারণ নয়, এর সঙ্গে পরিবেশ দূষণ, নিরাপত্তাহীন শ্রম, দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং বেআইনি অর্থচক্রের অভিযোগও জড়িত। তাই শুরু থেকেই এই ক্ষেত্রে কড়া বার্তা দিতে চাইছে সরকার।
নজরে একাধিক জেলা
রাজ্যের একাধিক জেলায় অবৈধ কয়লা খাদান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। জেলা শাসকদের বৈঠকে সেই বিষয়েই কড়া বার্তা দেওয়া হয়। এরপরই বৈধ খাদানের তালিকা ও অবৈধ খাদান সংক্রান্ত রিপোর্ট দ্রুত পাঠানোর নির্দেশ জারি হয়েছে।
বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত
সব মিলিয়ে অবৈধ কয়লা খাদান বন্ধে বড় প্রশাসনিক অভিযান শুরু হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর কোন জেলায় কী পদক্ষেপ করা হবে, সেদিকেই এখন নজর থাকবে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন