শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়! গ্রেফতার ৩ ভাড়াটে খুনি
চন্দ্রনাথ রথ খুনে গ্রেফতার ৩ সুপারি কিলার
মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে বড় মোড়। ঘটনার তদন্তে নেমে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জেরার পর তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা পেশাদার ‘সুপারি কিলার’ বা ভাড়াটে খুনি।
ধৃতদের জেরা করছে পুলিশ
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের জেরা করে এই হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর খোঁজ চালানো হচ্ছে। কীভাবে হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কার নির্দেশে এই অপারেশন চালানো হয় এবং খুনের আগে রেইকি হয়েছিল কি না—এসব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
দোহাড়িয়ায় কী হয়েছিল?
মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হওয়ায় এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিজেপির তরফে এই ঘটনাকে পরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন বলে দাবি করা হয়।
সুপারি কিলার তত্ত্বে জোর
প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিল। সেই কারণেই তদন্তকারীরা শুরু থেকেই পেশাদার খুনির যোগ খতিয়ে দেখছিলেন। তিনজনের গ্রেফতারির পর সেই তত্ত্ব আরও জোরালো হলো বলে মনে করা হচ্ছে।
মাস্টারমাইন্ডের খোঁজে তদন্ত
ধৃতরা কার নির্দেশে কাজ করেছিল, কারা টাকা দিয়েছিল, এবং এই খুনের পেছনে রাজনৈতিক নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে—তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ধৃতদের মোবাইল ফোন, যোগাযোগের সূত্র এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলে নতুন চাঞ্চল্য
চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে তিনজনের গ্রেফতারির পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিজেপি দাবি করছে, এই গ্রেফতারি প্রমাণ করে খুনটি পরিকল্পিত ছিল। অন্যদিকে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন।
এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপে
ধৃতদের আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হতে পারে। তদন্তকারীদের লক্ষ্য এখন এই মামলার পেছনের পুরো নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা এবং মূল পরিকল্পনাকারীদের গ্রেফতার করা।
.png)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন