Iran Aircraft Pakistan Row: ‘পাকিস্তানকে বিশ্বাস করি না’, ইরানি বিমান বিতর্কে তোপ ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ সেনেটরের

 ইরানি বিমান বিতর্কে পাকিস্তানকে তোপ মার্কিন সেনেটরের

Iranian aircraft Pakistan Nur Khan airbase controversy Lindsey Graham says I don’t trust Pakistan
ছবি: X

পাকিস্তানকে বিশ্বাস করি না’, সরাসরি তোপ লিন্ডসে গ্রাহামের

ইরানি যুদ্ধবিমান পাকিস্তানের এয়ারবেসে রাখা হয়েছিল—মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এমন দাবির পর ফের উত্তপ্ত আমেরিকা-পাকিস্তান সম্পর্ক। ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সরাসরি বলেন, তিনি পাকিস্তানকে বিশ্বাস করেন না। তাঁর মতে, ইরান ইস্যুতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমেরিকার নতুন কাউকে খোঁজা উচিত।

CBS রিপোর্টে কী দাবি করা হয়েছে?

CBS News-এর রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আমেরিকার হামলা থেকে বাঁচাতে ইরান তাদের কয়েকটি সামরিক বিমান পাকিস্তানের নুর খান এয়ারবেসে সরিয়ে রেখেছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেখানে ইরানের নজরদারি/রিকনেসাঁ বিমানও ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এই দাবি প্রকাশ্যে আসতেই পাকিস্তানের নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

নতুন মধ্যস্থতাকারী খুঁজবে আমেরিকা?

লিন্ডসে গ্রাহাম প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান যদি একদিকে ইরানের সঙ্গে এমন সামরিক সহযোগিতার অভিযোগে জড়ায়, তবে তারা কীভাবে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হবে? তাঁর বক্তব্য, অভিযোগ সত্যি হলে ওয়াশিংটনের উচিত পাকিস্তানের বদলে অন্য মধ্যস্থতাকারী খোঁজা।

পাকিস্তানের পাল্টা দাবি

পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক CBS-এর রিপোর্টকে “misleading and sensationalized” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এমন অনুমাননির্ভর খবর আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করার চেষ্টা।

কূটনৈতিক অস্বস্তি বাড়ল

ইরান-আমেরিকা উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় ছিল। কিন্তু এই বিমান বিতর্ক সামনে আসার পর ওয়াশিংটনের একাংশে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ আরও বেড়েছে। ফলে ইরান ইস্যুতে আমেরিকার পরবর্তী কূটনৈতিক কৌশল কী হবে, তা নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে।

মন্তব্যসমূহ