|
|
| সই জাল কাণ্ডে সিআইডি-র মুখোমুখি হতে ভবানী ভবনে পৌঁছলেন অভিষেক। |
কলকাতা: সই জাল কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের কড়া নির্দেশের পর অবশেষে সিআইডি-র (CID) মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনে ঠিক সন্ধে ৬টার আগেই রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবনে পৌঁছন তিনি। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আগে থেকেই যাবতীয় প্রস্তুতি সেরে রেখেছিলেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা।
দিল্লি থেকে ফিরে সোজা কালীঘাটে
জানা গিয়েছে, এ দিন বিকেলেই দিল্লি থেকে বিমানে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন অভিষেক। তবে বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি ভবানী ভবনে যাননি। প্রথমে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তিনি পৌঁছন নিজের কালীঘাটের বাসভবনে। সেখানে কিছুক্ষণ কাটানোর পর, ঘড়ির কাঁটায় যখন বিকেল পৌনে ৬টা, তখন কালীঘাট থেকে সোজা ভবানী ভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।
আরও পড়ুন: অভিষেকের মামলা থেকে সরলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! তৃণমূলে শুরু জোর জল্পনা
হাইকোর্টের ডেডলাইন ও সিআইডি-র প্রস্তুতি
উল্লেখ্য, সই জাল সংক্রান্ত এই বিতর্কিত মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সন্ধে ৬টার মধ্যে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে মান্যতা দিয়েই নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে ঢুকে যান তিনি। এই হাই-প্রোফাইল হাজিরার কারণে বিকেল থেকেই ভবানী ভবন চত্বরে কড়া পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী।
মামলার প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক জল্পনা
সই জাল কাণ্ড নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল চলছে। সম্প্রতি এই মামলা থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী ও তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যা নিয়ে দলের অন্দরে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এখন সিআইডি আধিকারিকদের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক কী তথ্য দেন এবং তদন্তের জল কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।