|
|
| উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকদের ওপর মার্কিন ফৌজের ধারাবাহিক হামলা ঘিরে চরমে উত্তেজনা। |
নয়াদিল্লি: উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় নাবিকদের ওপর মার্কিন ফৌজের ধারাবাহিক হামলায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল নয়াদিল্লি। গিনি-বিসাউয়ের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ 'এমটি জলবীর'-এ মার্কিন মিসাইল হামলার কড়া প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার ভারতে নিযুক্ত মার্কিন ‘চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স’ জেসন মিক্সকে ফের তলব করল বিদেশ মন্ত্রক। এই সপ্তাহে এটি তাঁর দ্বিতীয় তলব। এর আগে 'এমটি সেত্তেবেলো' জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর জেরে গত বুধবারও তাঁকে ডেকে কড়া বার্তা দিয়েছিল সাউথ ব্লক।
কী ঘটেছিল 'এমটি জলবীর'-এ?
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ওমানের শিনাস বন্দরের কাছে ২০ জন ভারতীয় নাবিক-সহ 'এমটি জলবীর' মার্কিন সেনার রোষানলে পড়ে। বিমান থেকে পর পর দু'টি হেলফায়ার মিসাইল ছোড়া হয় জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে। আগুন লাগতেই প্রাণ বাঁচাতে ওমান নৌসেনার কাছে বিপদের বার্তা (Distress Call) পাঠান নাবিকরা। তবে ভারতের জাহাজ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, স্বস্তির বিষয় হলো জাহাজে থাকা ২০ জন ভারতীয় নাবিককেই সম্পূর্ণ নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
হামলার দায় স্বীকার করে কী সাফাই আমেরিকার?
মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে 'এমটি মারিভেক্স', 'এমটি সেত্তেবেলো' এবং 'এমটি জলবীর'— এই তিনটি জাহাজে মার্কিন আগ্রাসন চরম কূটনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। যদিও আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) হামলার দায় স্বীকার করে সাফাই দিয়েছে যে, ইরানের তেল রফতানির ওপর জারি হওয়া নৌ-নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই ওই জাহাজগুলি চলাচল করছিল। মার্কিন নৌবাহিনীর নির্দেশ বারবার উপেক্ষা করাতেই জলবীরে ওই জোড়া মিসাইল হামলা চালানো হয় বলে দাবি আমেরিকার।