ঝালমুড়ি-রসগোল্লা থেকে সিঁদুরখেলা—পুরোদস্তুর বাঙালি সাজ৷ ব্রিগেডের শপথমঞ্চে আর কী আয়োজন?
বাংলার প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের সাক্ষী হতে চলেছে শনিবারের ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। পঁচিশে বৈশাখের সকালে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে এখন সাজ সাজ রব। তবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে এই অনুষ্ঠানকে ‘বাংলার সংস্কৃতির উদ্যাপন’ হিসেবেই তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।
মঞ্চে ঐতিহ্য, পাতে বাঙালিয়ানা:
শপথমঞ্চের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছে বিশালাকার দুর্গামূর্তি। সঙ্গে ঠাঁই পাচ্ছে বাংলার মনীষীদের লাইফসাইজ প্রতিকৃতি। আমন্ত্রিতদের জন্য ময়দানজুড়ে থাকছে ঝালমুড়ি, রসগোল্লা ও সন্দেশের স্টল। বাউল ও ছৌ নাচের পাশাপাশি অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে বর্ণাঢ্য ‘সিঁদুরখেলা’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের উপস্থিতিতে ব্রিগেডের ২৫টি প্রবেশদ্বার দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের সমাগমের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কাঁটা ও বিকল্প পরিকল্পনা:
তবে এই আয়োজনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবহাওয়া। শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় কাদা-জলে জেরবার হতে পারে ময়দান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে অনুষ্ঠান ‘নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে’ সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে। নবান্ন ও আয়োজক সূত্রের খবর, শুক্রবার বিকেলেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রাইটার্সের পথে নতুন সরকার:
এবারের শপথের সবচেয়ে বড় চমক নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীর রাইটার্স বিল্ডিং সফর। এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্ষমতা আবার নবান্ন থেকে রাইটার্সে ফেরার এই যাত্রাকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, মেঘলা আকাশের নিচেই এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষায় এখন গোটা তিলোত্তমা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন