শুভেন্দুর শপথে ব্রিগেডে টলিউড-সংস্কৃতি জগতের তারার মেলা, প্রসেনজিৎ-জিৎ-যিশু থেকে অজয় চক্রবর্তী-মমতা শংকর


ব্রিগেডে সংস্কৃতি জগতের গুণীজনদের উপস্থিতি

পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে দেখা গেল টলিউড ও সংস্কৃতি জগতের একাধিক পরিচিত মুখকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, যিশু সেনগুপ্ত, শিল্পী মমতা শংকর এবং বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী

শপথ মঞ্চে তারকাদের উপস্থিতি ঘিরে চর্চা

বাংলায় নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকেই ব্রিগেডে ছিল উৎসবের আবহ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগতের গুণীজনদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনেও টলিপাড়ার ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দার বহু শিল্পীর উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জিৎ-এর উপস্থিতি নিয়ে আলাদা জল্পনা

রাজনীতি থেকে সাধারণত দূরত্ব বজায় রাখা টলিউড সুপারস্টার জিৎ-এর উপস্থিতি ঘিরে বিশেষ আলোচনা শুরু হয়েছে। The Telegraph-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিৎ-এর উপস্থিতি রাজনৈতিক ও টলিউড মহলে জল্পনার জন্ম দিয়েছে।

টলিউড নিয়ে নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা

সংস্কৃতি মহলের একাংশের আশা, নতুন সরকার টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির গুণগত বিকাশ, যোগ্য শিল্পীদের সম্মান এবং শিল্পচর্চার স্বাধীন পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেবে। শুধু ফিল্ম ও টেলিভিশন নয়, থিয়েটার, যাত্রা, সঙ্গীত, নৃত্য, চিত্রকলা, সাহিত্য ও লোকশিল্পের ক্ষেত্রেও শিল্পীসমাজের উন্নয়ন নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

যানজটের কারণে অনেকে পৌঁছাতে পারেননি?

সূত্রের দাবি, প্রবল জনসমাগম ও যানজটের কারণে সংস্কৃতি জগতের আরও কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ব্রিগেডের কাছাকাছি পৌঁছেও মূল অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে পারেননি। তবে এই অংশটি এখনও বড় সংবাদমাধ্যমে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।

সংস্কৃতি জগতের সঙ্গে নতুন সমীকরণ

রাজনৈতিক মহলের মতে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে টলিউড ও সংস্কৃতি জগতের উপস্থিতি নতুন সরকারের সঙ্গে শিল্পীসমাজের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিতে পারে। আগামী দিনে টলিউড-সহ বাংলার সংস্কৃতি জগতের উন্নয়ন নিয়ে সরকার কী পদক্ষেপ করে, এখন সেটাই দেখার।


মন্তব্যসমূহ