ব্রিগেডের শপথমঞ্চে ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম মোদির, ফিরল ২০১৪-তে সংসদে পা দেওয়ার স্মৃতি
ব্রিগেডে ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম মোদির
রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যলগ্নে বাংলার রাজনৈতিক মানচিত্রে শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়। শনিবার ব্রিগেডের মেগা মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এদিনের অনুষ্ঠানে কোনো প্রথাগত ভাষণ দেননি প্রধানমন্ত্রী। পরিবর্তে, মঞ্চের মাঝখানে এসে লক্ষাধিক মানুষের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে তিনি পশ্চিমবঙ্গবাসীকে তাঁর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানালেন।
সাষ্টাঙ্গ প্রণাম ও রবীন্দ্র-স্মরণ
এদিন মঞ্চে ওঠার পর প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। ২৫শে বৈশাখের এই পবিত্র দিনে বিশ্বকবিকে প্রণাম জানানোর পরেই তিনি মঞ্চের মাঝখানে গিয়ে জনশক্তির উদ্দেশ্যে নতজানু হন। প্রথমে হাঁটু মুড়ে বসে এবং পরে মাথা নিচু করে শুয়ে পড়ে তিনি প্রণাম সারেন। পরে নিজের সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে সেই ভিডিও শেয়ার করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, "আমি পশ্চিমবঙ্গের জনশক্তির কাছে মাথা নত করছি"।
শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে পদ্ম-শাসন
২৯৪ আসনের (ভোট হওয়া ২৯৩ আসন) পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে এককভাবে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নিজের মাটিতে এই জয় বিজেপির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ৷ এর আগে ফল ঘোষণার দিনও বাঙালি আবেগকে ছুঁতে মোদীকে দেখা গিয়েছিল ধুতি-পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় ভাষণ দিতে।
মঞ্চে চাঁদের হাট
সকাল ১০টার কিছু পরে কলকাতায় অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীর বিমান। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে রেসকোর্স হয়ে হুডখোলা গাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে ব্রিগেডের মঞ্চে প্রবেশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ, জেপি নড্ডা, নীতিন নবীন, স্মৃতি ইরানিরা।
এছাড়াও ছিলেন যোগী আদিত্যনাথ (উত্তরপ্রদেশ), হিমন্ত বিশ্বশর্মা (অসম), মানিক সাহা (ত্রিপুরা), দেবেন্দ্র ফডনবীস (মহারাষ্ট্র), সম্রাট চৌধরি (বিহার) এবং রেখা গুপ্ত (দিল্লি)। ছিলেন চন্দ্রবাবু নায়ডু, চিরাগ পাসোয়ান, মিঠুন চক্রবর্তী এবং অগ্নিমিত্রা পাল।
.png)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন