মধ্যপ্রাচ্যে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ! সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পরমাণু কেন্দ্রে হামলা, ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

UAE Barakah Nuclear Power Plant Drone Attack
 
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়ল! রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির (UAE) বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (Barakah Nuclear Power Plant) ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে 'উস্কানিমূলক জঙ্গি হামলা' আখ্যা দিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত।

কীভাবে ঘটল এই হামলা? ইউএই-এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে তিনটি ড্রোন ধেয়ে আসে। যার মধ্যে দুটি ড্রোনকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করা হয়।

  • একটি ড্রোনের হামলায় পারমাণবিক কেন্দ্রের জেনারেটরে আগুন লেগে যায়।

  • আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (IAEA) মতে, এতে বড় কোনো বিকিরণের বিপদ ঘটেনি, তবে সুরক্ষার খাতিরে একটি চুল্লি আপৎকালীন জেনারেটরে চালানো হচ্ছে।

ভারতের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে জানিয়েছে, এই ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি আঞ্চলিক শান্তির জন্য একটি "বিপজ্জনক পদক্ষেপ"। ভারত সব পক্ষকে সংযম বজায় রাখা এবং শান্তি ও কূটনীতির পথে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।

ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের এই হামলার দায় এখনও কোনো দেশ বা সংগঠন স্বীকার করেনি। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল ও আমেরিকার ইরান আক্রমণের পর থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এর মাঝেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাথে ফোনে কথা বলেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প সরাসরি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে লেখেন, "ইরানের জন্য সময় ফুরিয়ে আসছে, খুব দ্রুত তাদের সতর্ক হতে হবে, নাহলে তাদের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না!"

কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই বারাকাহ প্ল্যান্ট? দক্ষিণ কোরিয়ার সাহায্যে ২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তৈরি এই বারাকাহ প্ল্যান্টটি সমগ্র উপসাগরীয় অঞ্চলের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি একাই ইউএই-এর ২৫ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা মেটায়। ২০১৭ সালেও একবার ইয়েমেনের হাউথি বিদ্রোহীরা এখানে হামলার হুমকি দিয়েছিল।