তদন্তে সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ: তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়ে তদন্তে সশরীরে হাজির থেকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে আদালতের পক্ষ থেকে রক্ষাকবচ ও কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহ:
আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না। তবে, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি কোনোভাবেই বিদেশ যেতে পারবেন না।
তদন্ত প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ ও পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে।
প্রয়োজন হলে তদন্তকারীদের সামনে সরাসরি হাজিরা দিতে হবে।
তবে তদন্তকারী সংস্থা কোনো কঠোর পদক্ষেপ (যেমন গ্রেফতারি) নেওয়ার আগে অবশ্যই আদালতের অনুমতি নিতে হবে।
রাজনৈতিক মহলে জোর তরজা:
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধীদের দাবি, আইন আইনের পথেই চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া মেনেই তদন্ত এগোচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূলের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে এই ধরণের চাপ তৈরি করা হচ্ছে। আপাতত এই মামলার পরবর্তী শুনানি ও তদন্তের জল কতদূর গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
.png)