মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে উনি অপরিহার্য নন।”
এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়ে দাবি করেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ-নেতাজির পুণ্যভূমিতে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বা বলপ্রয়োগ করে শাসন করা যায় না। গরিব মানুষকে উচ্ছেদের চরম মাশুল গুনতে হচ্ছে।
এই সমালোচনার জবাবে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মনে করিয়ে দেন, ২০১১ সাল থেকে দীর্ঘ ১৫ বছর বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল সরকার। মন্ত্রীর অভিযোগ, “ওঁদের মূল উদ্দেশ্য যদি কেবল টাকা কামানো, ক্ষমতা ধরে রাখা আর মানুষকে বোকা বানানো হয়, তবে এখন এসব কান্নাকাটি করে লাভ নেই। হয় কাজ করো, না হলে ভ্যানিশ হয়ে যাও। মানুষ ইতিমধ্যেই ওঁকে ভ্যানিশ করে দিয়েছে।”
শহরের জলাশয় ভরাট নিয়ে প্রাক্তন পুরমন্ত্রীর সাফাইকেও এদিন তীব্র নিশানা করেন অগ্নিমিত্রা। ‘ওয়াও মোমো’র কারখানার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন, পুকুর বুঁজিয়ে দেওয়ার দায় কেন এড়ানো হয়েছিল? ১৫ বছরেও কেন বিকল্প পুকুর খনন বা কোনও আইনি পদক্ষেপ করেনি আগের সরকার? রাজনৈতিক মহলের মতে, নতুন প্রশাসনের এই কড়া ‘অ্যাকশন’ বনাম বিরোধীদের ‘গরিব দরদি’ সুরের লড়াই আগামী দিনে আরও বড় আকার নিতে চলেছে।
.png)